জেনেরিক বিবরণ
নির্দেশনা
- যেসব ক্ষেত্রে সন্তোষজনকভাবে নন-ইনসুলিন ডিপেন্ডেন্ট (টাইপ ২) জায়াবেটিস ম্যালাইটাস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা শুধুমাত্র খাবার এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না সেসব ক্ষেত্রে গ্লিমেপিরাইড নির্দেশিত।
- খাবার ও ব্যায়ামের মাধ্যমে অথবা শুধুমাত্র গ্লিমেপিরাইড ও মেটফরমিন এককভাবে নির্দেশনায় যে সমস্ত রোগীদের রক্তে অধিক গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয় না, এমন রোগীদের রক্তে গ্লুকোজ কমাতে গ্লিমেপিরাইড ও মেটফরমিন যুগ্মভাবে নির্দেশিত।
- এছাড়াও খাবার ও বায়ামের মাধ্যমে অথবা শুধুমাত্র গ্লিমেপিরাইড এবং রক্তে গ্লুকোজ কমায় মুখে সেব্য এমন ওষুধ যুক্তভাবে নির্দেশনায় যে সমস্ত রোগীদের রক্তে অধিক গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয় না, এমন রোগীদের ক্ষেত্রে গ্লিমেপিরাইড ও ইনসুলিন যুগ্মভাবে নির্দেশিত।
- গ্লিমেপিরাইড ও ইনসুলিম যুগ্মভাবে ব্যবহারে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে।
ফার্মাকোলজি
ঔষধের মাত্রা
প্রারম্ভিক মাত্রা এবং মাত্রাবৃদ্ধি: সাধারণত প্রারম্ভিক মাত্রা হচ্ছে দৈনিক ১ মি.গ্রা. একবার প্রয়োজনবোধে মাত্রা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। যে কোন প্রকার মাত্রা বৃদ্ধি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এর মাধ্যমে ১ থেকে ২ সপ্তাহ বিরতি দিয়ে এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত, যেমনঃ ১ মি.গ্রা.→২ মি.গ্রা. →৩ মি.গ্রা. → 8 মি.গ্রা. → ৬ মি.গ্রা. এভাবে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে মাত্রা: যে সমস্ত রোগীর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে, তাদের ক্ষেত্রে এর মাত্রা হচ্ছে দৈনিক ১ থেকে ৪ মি.গ্রা.।
মাত্রা বণ্টন: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী মাত্রা ও সময়কাল নির্ধারণ করা হয়ে থাকে এবং তা রোগীর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার ধরণের উপর নির্ভর করে হয়ে থাকে। সাধারণভাবে দৈনিক একক মাত্রাই পর্যাপ্ত। পর্যাপ্ত পরিমাণ নাস্তা গ্রহণের পূর্বে এই ওষুধ সেবন করা উচিত। যদি সকালের নাস্তা এবং ওষুধ কোনটাই সেবন করা না হয়ে থাকে, তবে দিনের প্রথম প্রধান খাদ্য গ্রহণের ঠিক পূর্বে সেবন করা উচিত। ওষুধ গ্রহণের পর কোন ভাবেই খাদ্য গ্রহণ না করে থাকা উচিত নয়।
দ্বিতীয় মাত্রার সমন্বয়: ডায়াবেটিসের উন্নতির সাথে সাথে ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। হাইপোগ্লাইসেমিয়া পরিহার করার জন্য সময়মত গ্লিমেপিরাইড মাত্রা কমাতে অথবা চিকিৎসা বন্ধ করতে হতে পারে। যখন রোগীর ওজন অথবা জীবন ধারণের পন্থা পরিবর্তন হয়, অথবা অন্য এমন কোন কারণ থাকে, যার জন্য হাইপো অথবা হাইপার গ্লাইসেমিয়া হতে পারে, সেসব ক্ষেত্রেও মাত্রার সমন্বয় প্রয়োজন।
মুখে সেবনযোগ্য অন্য এন্টিডায়াবেটিক ওষুধ এর পরিবর্তে গ্লিমেপিরাইড সেবন: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমানোর জন্য কোন মুখে সেব্য ওষুধ এবং গ্লিমেপিরাইডের মাত্রার মধ্যে সরাসরি কোন সম্পর্ক নাই। যখন অন্য কোন ওষুধের পরিবর্তে গ্লিমেপিরাইড দেয়া হয় তখন প্রারম্ভিক মাত্রা হবে ১ মি.গ্রা.। অন্য ঔষধের সর্বোচ্চ মাত্রা থেকে পরিবর্তনের সময়ও গ্লিমেপিরাইডের প্রারম্বিক মাত্রা হবে ১ মি.গ্রা.। যে কোন রকমের মাত্রা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পূর্বে বর্ণিত "প্রারম্ভিক মাত্রা এবং মাত্রাবৃদ্ধি" বর্ণনা মেনে চলতে হবে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমানোর জন্য পূর্বে ব্যবহৃত ওষুধ এর কর্মক্ষমতা ও সময়কালের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে। আসক্তি এড়াতে মাঝে মাঝে চিকিৎসার বিরতি দিতে হবে যাতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া না হয়।
সেবনবিধি
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
ইনসুলিন এবং অন্যান্য মুখে সেবনীয় এন্টিডায়াবেটিকের সাথে সিমেপিরাইজের হাইপোগ্লাইসেমিক কার্যকারীতা যে সমস্ত ওষুধ বৃদ্ধি করে সেগুলো হচ্ছে: এসিই ইনহিবিটর, এমাইনোস্যালিসাইলিক এসিড, এনাবোলিক স্টেরয়েড এবং পরুষ সেক্স হরমোন, এজাপ্রোপাজন, ক্লোরামফেনিক্যাল, ক্লোফাইব্রেট, কুমারিনজাত ওষুধ, সাইক্লোফসফমাইড, ডিসোপাইরামাইড, ফেনফ্লুরামিন, ফিনাইরামিডল, ফাইব্রেট, ফ্লুকোনাজল, ফ্লুক্সেটিন, গুয়ানথেডিন, আইফসফামাইড, মনো এমাইনো অক্সিডেজ ইনহিবিটর, মাইকোনাজল, অক্সপেন্টিফাইলিন (উচ্চমাত্রায় শিরায় প্রয়োগ) অক্সিফেনবিউটাজোন, প্যারা এমাইনোস্যালিসাইলিক এসিড, ফিনাইল বিউটাজন, প্রোবেনেসিড, কুইনোলোন, স্যালিসাইলেট, সালফিনপাইরাজন, সালফোনামাইড এন্টিবায়োটিক, টেট্রাসাইক্লিন, ট্রাইটোকোয়ালিন, ট্রোফসফামাইড।
গ্লিমেপিরাইডের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমানোর ক্ষমতা কমে যেতে পারে যদি একই সাথে-
- এসিটাজোলামাইড, বারবিচূরেট, ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, কর্টিকোস্টেরয়েড, ডায়াজক্সাইড, ডাইইউরেটিক, গ্লুকাগন, আইসোনিয়াজিড, ল্যাক্সেটিভ, নিকোটিনিক এসিড (উচ্চ মাত্রায়), ইস্ট্রোজেন, ফেনোথায়াজিন, ফেনাইটোইন, প্রোজেস্টোজেন, রিফামপিসিন, সিম্পেথোমাইমেটিক উপাদান, থাইরয়েড হরমোন।
- এইচ ২ রিসেপ্টর এন্টাগনিস্ট, বিটা ব্লকার, ক্লোনিডিন এবং রিসারপিনের সাথে গ্রহণ করলে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ কমানোর ক্ষমতা কমে অথবা বেড়ে যেতে পারে।
- বিটা-ব্লকার, ক্লোনিডিন, গুয়ানেথেডিন এবং রিসারপিনের সাথে গ্রহণ করলে হাইপোগ্লাইসেমিক আক্রমণের উপসর্গসমূহ অপ্রকাশিত থাকতে পারে।
- একিউট বা ক্রনিক অধিক পরিমাণ এলকোহল সেবন করা হলে গ্লিমেপিরাইড এর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমানোর ক্ষমতা কমে অথবা বেড়ে যেতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
সতর্কতা
মাত্রাধিক্যতা
থেরাপিউটিক ক্লাস
সংরক্ষণ
দ্রুত তথ্য
উপলব্ধ ব্র্যান্ড (96)
Adglim
2 mg · UniMed UniHealth Pharmaceuticals Ltd.
Adglim
1 mg · UniMed UniHealth Pharmaceuticals Ltd.
Amaryl
4 mg · Synovia Pharma PLC.
Amaryl
2 mg · Synovia Pharma PLC.
Amaryl
3 mg · Synovia Pharma PLC.
Amaryl
1 mg · Synovia Pharma PLC.
Amynil
2 mg · Globex Pharmaceuticals Ltd.
Amynil
1 mg · Globex Pharmaceuticals Ltd.
Condia
3 mg · Jenphar Bangladesh Ltd.
Condia
2 mg · Jenphar Bangladesh Ltd.
Condia
1 mg · Jenphar Bangladesh Ltd.
Dactus
3 mg · ACME Laboratories Ltd.
Dactus
1 mg · ACME Laboratories Ltd.
Dactus
2 mg · ACME Laboratories Ltd.
Dialon
1 mg · Eskayef Pharmaceuticals Ltd.
Dialon
3 mg · Eskayef Pharmaceuticals Ltd.
Dialon
2 mg · Eskayef Pharmaceuticals Ltd.
Diaryl
3 mg · Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Diaryl
2 mg · Beximco Pharmaceuticals Ltd.
Diaryl
1 mg · Beximco Pharmaceuticals Ltd.