উপাদান
প্রতি ২৫ মি.লি. ঘন ওয়াল সলিউশনে আছে<br />
<ul>
<li>পলিইথিলিন গ্লাইকল ৩৩৫০ বিপি ১৩.১২৫ গ্রাম</li>
<li>সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বিপি ১৭৮.৫ মি.গ্রা.</li>
<li>সোডিয়াম ক্লোরাইড বিপি ৩৫০.৭ মি.গ্রা.</li>
<li>পটাসিয়াম ক্লোরাইড বিপি ৪৬.৬ মি.গ্রা.</li>
</ul>
প্রতি স্যাসেট এ আছে<br />
<ul>
<li>পলিইথিলিন গ্লাইকল ৩৩৫০ বিপি ১৩.১২৫ গ্রাম</li>
<li>সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বিপি ১৭৮.৫ মি.গ্রা.</li>
<li>সোডিয়াম ক্লোরাইড বিপি ৩৫০.৭ মি.গ্রা.</li>
<li>পটাসিয়াম ক্লোরাইড বিপি ৪৬.৬ মি.গ্রা.</li>
</ul>
নির্দেশনা
প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ২ বছরের উপরের শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে কার্যকরী উপশমের জন্য এবং দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত। ম্যাক্রোগল শক্ত মল গলনেও কার্যকরী, যা কিনা ফিকাল ইম্পেকশনের চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হয়।
ফার্মাকোলজি
ম্যাক্রোগল (৩৩৫০) অস্ত্রে অসমোটিক ক্রিয়া তৈরী করে যা ল্যাক্সেটিভ ক্রিয়া ঘটায়। ম্যাক্রোগল (৩৩৫০) মলের পরিমান বৃদ্ধি করে যা নিউরোমাসকুলার পাথওরের মাধ্যমে মলাশয়ের গতিবিধি বৃদ্ধি করে এবং নরম মলের আন্ত্রিক পরিবহন ও মল নির্গমনের সহায়তা করে। ইলেকট্রোলাইট মিশ্রিত ম্যাক্রোগল (৩৩৫০) মিউকোসা এর মাধ্যমে সেরাম ইলেকট্রোলাইট এর সাথে বিনিময় ঘটায় এবং সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও পানির কোন রকম অর্জন বা বর্জন ছাড়াই মলের মাধ্যমে নির্গত হয়। বাস্তবিক অর্থে অস্ত্রে ও পাকস্থলিতে অশোষিত অবস্থায় থাকে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য: (সাসপেনশনের জন্য পাউডার) <br />
<ul>
<li><strong>কোষ্ঠকাঠিন্য</strong>: ডোজ দৈনিক ১ স্যাসেট। প্রয়োজনে এটি দৈনিক ২-৩ টি পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।</li>
<li><strong>মলদ্বারের প্রভাব</strong>: প্রতিদিন ৮ টি স্যাসেট, ৬ ঘন্টার মধ্যে খাওয়া উচিৎ। মল আঘাতের জন্য চিকিত্সার একটি কোর্স সাধারণত ৩ দিনের বেশি হয় না।</li>
<li><strong>রেনাল অপ্রতুলতা সহ রোগী</strong>: কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলদ্বার আঘাতের চিকিত্সার জন্য কোনও ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।</li>
<li><strong>ব্যবহারের নির্দেশনা</strong>: প্রতিটি স্যাসেট এ ১২৫ মিলি পানিতে দ্রবীভূত করতে হবে। মলদ্বারের আঘাতের জন্য ১ লিটার জলে ৮ টি প্যাক দ্রবীভূত করা যেতে পারে। দ্রবণটি রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করুন এবং ৬ ঘন্টা পর ব্যবহার করা উচিৎ নয়।</li>
</ul>
প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য: (ওরাল সল্যুশন)<br />
<ul>
<li><strong>কোষ্ঠকাঠিন্য</strong>: ২৫ মিলি পলিইথিলিন গ্লাইকল ৩৩৫০ এবং ইলেক্ট্রোলাইট ওরাল দ্রবণ প্রতিদিন একবার ১০০ মিলি জলে যোগ করুন (মোট পরিমাণ ১২৫ মিলি করতে)। ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া অনুসারে প্রয়োজন হলে এটি দৈনিক ২৫ মিলি ডোজ ২-৩ বার পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।</li>
<li><strong>ফেকাল প্রভাব</strong>: প্রতিদিন ২৫ মিলির ৮ টি ডোজ (প্রতিটি ২৫ মিলি ডোজ ১০০ মিলি জলে যোগ করা হয়)। মল আঘাতের জন্য চিকিত্সার একটি কোর্স সাধারণত ৩ দিনের বেশি হয় না।</li>
<li><strong>ব্যবহারের দিকনির্দেশ</strong>: ২৫ মিলি ওরাল দ্রবণ ১০০ মিলি জলে যোগ করা হয় (মোট পরিমাণ ১২৫ মিলি করতে)। কোন অব্যবহৃত পাতলা দ্রবণ ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাতিল করা উচিত।</li>
</ul>
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
এই ওরাল সলিউশন ব্যবহারের কারনে কিছু ওষুধের শোষণ সাময়িকভাবে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে প্রয়োগকৃত কিছু ওষুধের ক্ষেত্রে কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা পাওয়া গেছে; যেমন-এন্টিএপিলেপটিকস্।
প্রতিনির্দেশনা
আন্ত্রিক দেয়াল, ইলিয়াসের গঠনমূলক এবং ক্রিয়ামূলক ব্যাধির কারণে আন্ত্রিক ছিদ্র বা বাধা এবং আন্ত্রিক যন্ত্রের তীব্র প্রদাহমূলক অবস্থা যেমন ক্রনস ডিজিজ, আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং বিষাক্ত বৃহদান্ত। ম্যাক্রোগল বা এর কোন উপাদানের প্রতি সংবেদনশীলতা।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘস্থায়ী কোষ্টকাঠিন্যের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডায়রিয়া অথবা অতিরিক্ত নরম মল হতে পারে, যা মাত্রা কমিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফিকাল ইম্পেকশনের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডায়রিয়া এবডোমিনাল ডিসটেনশন, পায়ুপথের অস্বস্তি এবং বমি হতে পারে। ব্যাবহার মাত্রা কমিয়ে আনলে বমি কমে আসবে।
মাত্রাধিক্যতা
ডায়রিয়া বা বমি দ্বারা অতিরিক্ত তরল হ্রাস পেলে ইলেকট্রোলাইটের পূরণ দ্বারা তা দূর করতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Osmotic purgatives